lifocyte.com

ক্যালকেরিয়া ফ্লোর

ক্যালকেরিয়া ফ্লোর – বায়োকেমিক ঔষধের প্রয়োগ ক্ষেত্র ,শক্তি ও মাত্রা

ক্যালকেরিয়া ফ্লোর

Calcarea Fluorica (C.F) বায়কেমিক ১২টি ঔষধের মধ্যে একটি ব্যাতিক্রম ঔষধ।  ক্যালকেরিয়া ফ্লোর  ঔষধটি  ক্যালসিয়াম ফ্লুরাইডের অভাব মিটাতে সক্ষম । এজন্য অস্থি ,নোখ ,চুলের উপর এক গভীর ক্রিয়া দেখা যায় । এখানে একটা বিষয় পরিষ্কার করে নেই আমার এই লেখাটি মেটেরিয়া মেডিকা নয় যে এতুটুকুতেই ঔষধের পূর্ণাঙ্গ চিত্র ফুটে উঠবে । ক্যালকেরিয়া ফ্লোর  ঔষধটিকে  সহজে চানার কৌশল মাত্র। যিনি চিকিৎসক তিনি কলেজেই ক্লাসে ও পরীক্ষায় এর বিস্তারিত পড়েছেন । এখানে ঔষধটিকে সর্টিং করার সহজ উপায় ও কোন রোগে কোন শক্তি অধিক প্রয়োজন তার একটি চিত্র তুলে ধরা হয়েছে ।

এটাকে অব্যর্থ সিরিজ ভেবে কেউ ভুল বুঝবেন না ।  এখানে আমার মনগাড়া কিছু দেয়া হয়নি । যদি কারো নজরে( অভিজ্ঞতার আলোকে)  কিছু কমবেশি পরিলক্ষিত হয় তবে কমেন্ট করে জানিয়ে দবেন  ইনশা-আল্লাহ তা সংযোজন বিয়োজন করে দেয়া হবে । এই লেখাটি আমার অভিজ্ঞতা ও  বিভিন্ন  চিকিৎসকের অভিজ্ঞতার  সংগ্রহ বলতে পারেন ।

ক্যালকেরিয়া ফ্লোর এর সংক্ষিপ্ত পরিচয়

  • বিশেষ পরিচায়ক লক্ষণঃ  কোন স্থানের প্রস্তরবৎ কাঠিন্য ও কোন কোন স্থানের শিথিলতা
  • মায়াজমঃ সোরিক, সাইকোটিক, সিফিলিটিক।
  • কাতরতাঃ শীতকাতরতা।
  • মনঃ সর্বদা অর্থনাশ হওয়ার ভয় , সন্ধিগ্ন চিত্ত ।
  • জিহ্বাঃ শুষ্ক ফাটা ফাটা ও কটাবর্ণ
  • উপশমঃ  উত্তাপে ও উত্তপ্ত পানে , নড়াচড়ায়
  • বৃদ্ধিঃ আদ্র বায়ু ও আদ্র স্থানে , চুপচাপ করিয়া থাকিলে।
যে সকল পীড়ায় ব্যাবহার্য

অন্ড কোষের শীর্ণতা ,প্রস্টেট গ্রন্থির বিবৃদ্ধি , দন্ত ক্ষয় জনিত বেদনা , প্রসব হেতু জরায়ুর ইত্যাদি পীড়ায় অন্যান্য ঔষধের সাথে ক্যালকেরিয়া ফ্লোর পর্যায়ক্রমে বা মিশ্রভাবে প্রয়গে আশুফল পাওয়া যায় ।

 

পীড়ার লক্ষণভেদে ঔষধের শক্তি ও মাত্রা

পীড়ার লক্ষণ ও তার চিকিৎসায় কিরুপ শক্তি অধিক ক্রিয়াশীল তার একটি  ছক নিচে উপস্থাপন করলাম । ইনশা-আল্লাহ ১২টি বায়োকেমিকের একটি পূর্ণাঙ্গ পিডিএফ কপি অল্পদিনের মধ্যে পেয়ে যাবেন ।

পীড়ার বিশেষ লক্ষণ

     শক্তি

   মাত্রা
চোখার পাতার উপর জল্পূর্ণ অর্বুদ বা কঠিন অর্বুদ হলে 3x ২/৪ বড়ি করে দিনে ২বার সেব্য
প্রসূতীর স্তনে দুগ্ধ বেশি হলে 6x
পাকস্থলী ক্যান্সার পীড়ায় 6x ঘন ঘন প্রয়োগ করবেন
নবজাতক শিশুর প্যারাইটাল বোনে রক্তপূর্ণ অর্বুদে অব্যর্থ 12x ২/৪ বড়ি করে দিনে ২ বার সেব্য ।

ঔষধ সেবনের পর গরম  পানীয় পান করা উত্তম ।

*ঘন ঘন প্রয়োগ করা উচিত নয়।

*শিশু ২ বড়ি পূর্ণবয়স্ক ৪ বড়ি

যেকোন প্রকার কঠিন অর্বুদে  ( হাতের কব্জিতে CP-12X) 12x
 কাশি – ক্রপ পীড়ায় অন্যান্য ঔষধে কাজ না হলে
12x
অর্শের জন্য কোষ্ঠবদ্ধতা ও কমর হতেস্যাকরাম পর্যন্ত বেদনা 12x ,30x
স্তন প্রদাহ , স্তন গাট গাট হওয়া , স্তনের অর্বুদ ও কাঠিন্য 12x ,30x
চক্ষুর ছানির কঠিন অবস্থায় (২য় অবস্থা) ১ম অবস্থায় NM-30X 30x
 যেকোনো স্ফোটক বা ব্রণ প্রস্তরবৎ কাঠিন্য হলে 200x
অর্শ ভগন্দর ( ক্ষতের চতুর্দিকে কাঠিন্য , তৎসহ গাঢ় পুঁজ স্রাব 200x
শিরা প্রসারণ পীড়ায় , অন্ত্র বৃদ্ধি ও হার্নিয়া 200x
অস্থিপীড়ায় 200x
সতর্কতা

ঘন ঘন প্রয়োগ করা উচিত নয়।এটি একটি দির্ঘ্যক্রিয় ঔষধ এর ফলাফল আসে একটু সময় লাগে তাই  এর ফলাফল পেতে একটু অপেক্ষা করতে হয় ।শুল্বেদলনায়  ম্যাগফস ২/৪ মিনিটের মধ্যাই  ফলাফল প্রদর্শন করে থেকে । এর ক্রিয়া প্রদর্শন করতে কয়েক ঘন্টা থেকে কয়েক দিন লাগতে পারে । মেটেরিয়া মেডিয়া দেখে নিশ্চিত হয়ে নিবেন রোগীর মাঝে ক্যালকেরিয়া ফ্লোর এর অভাব আছে কিনা । লক্ষণ মিললে বায়কেমিক ঔষধের কয়েকমাত্রাতেই রোগী উপশম বোধকরে । এই ঔষধগুলো হোমিওপ্যথির সম্পুরক ঔষধ । তাই এর সাথে হোমিওপ্যাথির তেমন কোনো সংঘর্ষ হয় না বিধেয় বহুকাল থেকে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকগন বায়োকেমিক চিকিৎসা দিয়ে আসছেন । যারা এর বিরোধিতা করেন তাদের কাছে আমার প্রশ্ন তাহলে ডিএইচএমএস কর্সে এর সংযুক্তি কেন ?

বায়োকেমিকের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানতে বিস্তারিত পড়ুন ।

লিউকোরিয়া বা সাদাস্রাব এর লক্ষণ কারণ ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

হস্থমৈথুন বা তীব্র যৌন আকাঙ্ক্ষা দমনে হোমিওপ্যাথিক ঔষধ

সাইকোথেরাপিস্ট ও হোমিওপ্যাথের মধ্যে সম্পর্ক-৩[Sex therapy ]

ডিএইচএমএস সিলেবাস অনুযায়ী ২য় বর্ষের পাঠ্যক্রম

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *