lifocyte.com

তীব্র যৌন আকাঙ্খা

তীব্র যৌন আকাঙ্ক্ষা ও হস্তমৈথুন এর অন্তরালে মায়াজমের ভূমিকা ও চিকিৎসা

তীব্র যৌন আকাঙ্ক্ষা  

 

চরম পুলকে ,পরমানন্দে, কৃত্রিম সুখানুভূতীতে মত্য কিশর-কিশোরি ;অজ্ঞতা আর  ভ্রান্ত কথায় জালে আত্ম হননে নিমগ্ন যুবক-যুবতী ।  

ভবিষ্যৎ জলাঞ্জলি দিয়ে ঠুনকো সুখের আসে জীবন করছে বিপন্ন ।  নাই ,নাই রে কেউ কি ;ফেরায় এই সম্ভবনাময় তরুণ-তরুণীদের স্বাভাবিক যৌনতা আবশ্যক এখানে তীব্র যৌন আকাঙ্ক্ষা  যে ভয়বহ পরণতি বয়ে আনে যুব সমাজ মেনে নিতে পারে না । নেশাকে সকলে নেশা হিসেবে মেনে নিয়েছি কিন্তু তীব্র যৌন আকাঙ্ক্ষা  যে সেই নেশার চেয়েও ভয়াবহ ; তা কিন্তু কোনো সুধী সমাবেশে ,সেমিনারে এমনকি স্কুল কলেজে আলোচনা হয় না । যুবক-যুবতী ; কিশোর_কিশোরী রা কৌতুহল বসত এই নেশায় আসক্ত হচ্ছে ।অভিভাবক মহল লজ্জ্বাজনিত কারণে এইসব বিষয়ের অবতারণা করতে পারছেন না । যেসকল শিক্ষক ক্লাসে আলচনা করেন তারা হচ্ছেন সমালোচিত ,অপদস্ত, তিরস্কৃত ।

 

ফেসবুক ,টুইটার ,ম্যাসেঞ্জার এখন যুবক-যুবতীদের জন্য ভার্চুয়াল যৌন আবেদনের সহজ মাধ্যম। ফেসবুক চত্তরে যুবক-যুবতী, কিশোর-কিশোরী , এমনকি বিকৃত বৃদ্ধরাও নানা ভাবে ম্যাসেজ ছুঁড়ে দিচ্ছে । ফলে সমাজে বেড়েযাচ্ছে অশ্লিলতা ,কামুকতা ও অবাদ যৌনাচারের মানসিকতা।  মায়াজমিক দৃষ্টি থেকে এই লোকগুলোর বেশিরভাগই মেডোরিনামের রোগী । তীব্র যৌনাকাঙ্খ্যা নিয়ে চলা যুবকেরা হস্থমৈথুন ,সমকামিতা সহ নানা প্রকার অপকর্মে লিপ্ত হয়ে পরছে এবং খুব অল্পদিনের মধ্যেই অনেকেই যৌন অক্ষমতা, মানসিক সমস্যা গ্রস্থ হয়ে পরছে । শোনাযাচ্ছে বাজারে নানা প্রকার সেক্সটয় এসেগেছে । ফেসবুকে এমন কিছু গ্রুপ আছে যারা এগুলো বাজারযাত করেছে । ইতোমধ্যে আমি নিজেও কয়েকটি গ্রুপের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করেছি ।  প্রিয় অভিভাবক শিশু কশোরদের নিয়ে সাবধান! ছেলে -মেয়েদের অতিসামাজিক করতে গিয়ে অসামাজিক করে ফেলবেন না প্লিজ ।

 

নেটিজেন গন  সকলে অবগত আছেন যে নেটে যৌন উত্তেজক কথা,ছবি , মুভি সহজলভ্য। জিনেকে সংযত রেখেও অনেক সময় বিব্রত হতে হয় । এখন যৌনত কোনো  গোপনীয় নয় , তাই সময়ের দাবি    অস্বভাবিক ও তীব্র যৌন আকাঙ্ক্ষা  যে একপ্রকার নেশা তা সন্তানদের বুঝাতে হবে ।  অতিরিক্ত হস্থমোথুন বা বীর্যক্ষয় অকাল বার্ধ্যক বয়ে আনে সাথে নানা রোগের দ্বার উন্মোচন করে সেকথা এখন সেখাবে হবে । মাদ্রাসা শিক্ষায় কিন্তু পাক-নাপাক; বৈধ-অবৈধ , হায়েজ -নেফায় ; মিলনের মাসায়েল শেখানো হয় । ফলে তাদের অনেকের যৌনস্বাস্থ্য নেক উন্নত । অপরদিকে আমি দেখেছি অনেক উচ্চশিক্ষিত সুঠমব্যক্তির যৌনস্বাস্থ তুলনামূলকভাবে অনেক নিম্নমানের ।

 

এর পিছনের ইতিহাসে  দেখাযায় । ৫ম বা ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে হস্থমৈথুন, ৮ম শ্রেণি থেকে নানা প্রকারে কামুকতা চিরতার্থ করা ( ব্যাখ্যা তাদের আসক্তি বেড়ে দিতে পারে)। জিএফ , বিএফ আমাদের সময় দেখেছিলাম দুই-একটা চিঠি দিয়েই বিয়ের পিড়ি । এখন ৫ম শ্রেণীতে পড়ুয়া রা কিস না করলে নাকি প্রপোজ হয় না । ১৪ ফেব্রুয়ারি আগের দিনগুলোতে হাই স্কুলের শিক্ষার্থি যুগলেরা সেইভাবে পালন করে । একদিন চকলেট ডে, অন্য টেডি ডে , কিস ডে , হাগ ডে ( আলিঙ্গন দিবস) তার পর ১৪ ফেব্রুয়ারি লাভ ডে । তাহলে বুঝুন এখন আপনার সন্তান কোন কালচারে আছে ।বিয়ের পরে আসে কিস , হাগ, মিলন আর তারা প্রেমের আগেই পালন তা করছে। এটি লিভটুগেদারের অশনিসংকেত বহন করছে ।    

এগুলোর যোগান দিচ্ছে নেট , সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ডার্কসাইড । যা আমরা অভিভাবকগন অবগত নই । অনেক সচেতন অভিভাবক বুঝতেই পারেন না যে ,তার সন্তান সেই ডার্ক সাইটে চলাফেরা করে । সামাজিক সাইটের অসামজিক কার্যকলাপ জানলে কোনো অভিভাবক তার সন্তানকে দামি দামি ফোন ল্যাপটপ কিনে দেইতেন না । ওদের হাতে এতদামি ফোনের অন্তরালে কি আছে ? কেন বলে ফোন না দিলে আমি স্কুলে যাব না , পড়বনা ! এর মর্ম কথা অভিভাবক বোঝে না বা বুঝেও কিছু করারা থাকে না ।  তারা গেমের কথা , অনলাইনে ক্লাসের কথা বা সামাজিক সাইটের কথা বলে অভিভাবককে ঘায়েল করে থাকে । এর  পিছনে প্রকৃত চাহিদা তার স্বাধিনতা চাই , বাস্তবে না হলেও ভার্চুয়াল জগতে ।

 

 

হস্থমৈথুন এর জন্য দায়ী মায়াজম

 

যদি প্রবল যৌন আকাঙ্ক্ষা থাকে তবে তা সোরা কে নির্দেশ করে।  কিন্তু যদি অতি অস্বাভাবিক যৌন আকাঙ্ক্ষা থাকে, তবে তা অবশ্যই টিউবারকুলার মায়াজম কে নির্দেশ করে।  অতিরিক্ত সঙ্গম বা হস্তমৈথুন এর পিছনের মুল মায়াজম হলো টিঊবারকুলার মায়াজমা। এই টিউবারকুলার মায়াজমা এর প্রভাবের দ্ধারা এরা নিজেদের ধ্বংস বা মৃত্যু ডেকে আনে। টিউবারকুলার এর অপর নাম যক্ষ্মা বা ক্ষয় ,এবং সিফিলিসের অপর নাম ধ্বংস ।  টিউবারকুলার মায়াজম একা আসে না সিফিলিস ডেকে নিয়ে আসে টিউবার কুলার মায়াজমকে। তাই মায়াজমিক ধারণায় হস্থমৈথুনের পরিণতি ধ্বংস ।

কেন আমি এই সকল টপিক নিয়ে লিখছি ?

আমার স্টুডেন্টদের উপর প্রায় একযুগ গবেষণা ও ফেসবুক টুইটার ,ম্যাসেঞ্জারের জরিপ থেকে দেখা অভিজ্ঞতা ও পত্রপত্রিকার আলচনা সমালোচনা থেকে প্রাপ্ত তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখলাম আমাদের দেশের প্রায় শতভাগ শিক্ষার্থীর বা যুব সমাজ  হস্থৈথুনের ন্যায় এই একটি গোপন ব্যাধিতে ভুগে ভুগে অকাল বার্ধক্যে উপনিত হচ্ছে ।    

হস্থমৈথুন শব্দটি শুনলেই অনেকটা অশ্লীল বা অস্বস্থি লাগে অথচ তা অনেকের অধিক প্রিয় একটা আত্মধ্বংসী অপকার্য । 

আধুনা উচ্চ শিক্ষিত গবেষক চিকিৎসকগণের মতে হস্থমৈথুনের জন্য কোনো সমস্যা হয় না । এটি একটি সহজাত প্রক্রিয়া মাত্র । জৈবিক চাহিদা বা সেক্সুয়াল চাহিদার তৃপ্তি ঘটালে দেহ মনের উপর প্রভাব পরে না বরং মন উৎফুল্ল থাকে ও কর্মে উদ্দীপনা আসে । 

 

MASTURBATION বা হস্তমৈথুনের পরিণতি

Survivals are the fittest মানে হলো যোগ্যরাই টিকে থাকে। ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো, ইতিহাস হতে কেউ শিক্ষা নেয় না।  তেমনি প্রকৃতির সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো, প্রকৃতি প্রতিশোধ নিতে কখনও ভুল করে না,আজ হোক,কাল হোক বা দু’দিন পর হোক, প্রকৃতি প্রতিশোধ নেবেই।

 

বংশগত ভাবে প্রাপ্ত সিফিলিটিক মায়াজমের কারণে এমনিতেই অনেক শিশু গর্ভাবস্থায় ই নষ্ট হয়ে যায়, মানে মারা যায়।

প্রকৃতি চায়না এ সকল দুষিত ও অসুস্থ শিশু দুনিয়ায় আসুক।  তারপরও কোন দুষিত শিশু জম্ম গ্ৰহন করলেও প্রকৃতি চায় সে দুনিয়ায় না থাকুক,তাই শরীরে বিভিন্ন ক্ষত, নিউমোনিয়া,শয্যা মুত্র, মুখে ঘা,সর্দি,কাশি,মাঝ মধ্যে জ্বর সহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।

তারপরও কিছু সংখ্যক বেঁচে গেলে তাদের মধ্যে বিভিন্ন রোগ দেখা দেয়, সবচেয়ে খারাপ কথা হলো যে খাদ্যে বা দ্রব্যে তার রোগ বাড়ে সেগুলোর প্রতি তার আসক্তি থাকে চরম,এ ভাবে প্রকৃতি চায় সে যেন অন্যদের আক্রান্ত না করে সে দ্রুত মৃত্যু বরণ করুক।

তারপরও না মারা গেলে প্রকৃতিগত ভাবেই তার মধ্যে প্রচন্ড যৌনাকাঙ্খা দেখা দেয়,তাও আবার অতি অল্প বয়সে,সে ছেলে হোক বা মেয়ে হোক।

 

কিন্তু সেতো অনেকটা বাচ্ছা বয়সী,তাঁর তো বিয়ে করানোর বা বিয়ে দেয়ার বয়স হয় নি।  তো এখন কি করার আছে ?

হাঁ আছে,আর সেটা হলো অবৈধ ভাবে যৌন ইচ্ছা পুরন।

যাদের বান্ধবী অথবা বন্ধু আছে, তাদের কথা আলাদা, তারা সুযোগ পেলে সরাসরি যৌন মিলন করতে পারে।

কিন্তু যাদের তা নেই, তারা তো আর বসে থাকতে পারে না, তাদের বিকল্প ব্যাবস্থা হলো হস্তমৈথুন।

কেউ যদি স্বাভাবিক ভাবে যৌন উত্তেজনা অনুভব করে তবে এটা স্বাভাবিক।

একমাত্র গভীর দৃষ্টি ভঙ্গি সম্পন্ন একজন জ্ঞানী ও মায়াজমেটিক্যাল জ্ঞানে দক্ষ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক দীর্ঘদিনের চিকিৎসায় একজন রোগী কে যথাসম্ভব মায়াজম মুক্ত করে তার অভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে তাকে সুস্থ্য করতে পারে।

এ ছাড়া আর কোন বিকল্প কিছু নেই, অন্য কোন প্যাথির পক্ষে মানসিক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়, এবং হস্তমৈথুন ও অতিরিক্ত কামভাব দুর করাও সম্ভব নয়।

তার শেষ পরিণতি বিভিন্ন রোগে ভুগে শেষ পর্যন্ত অকালে মৃত্যুবরণ।

[হস্তমৈথুনের পরিণতি এই অংশটুকু ডাঃ মহিবুর রহমান স্যারের টাইমলাইন থেকে সংগৃহীত]

 

প্রবল হস্থমৈথুন দমনে বা স্বাভাবিকে ফিরে আনার জন্য নিম্নোক্ত কিছু ঔষধের চমৎকার কাজ করে । তবে শুধু ঔষধে এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ সম্ভব নয় । এরজন্য অবশ্যই সাইকোথেরাপি অর্থাৎ মানসিক কন্ট্রোল লাগবেই ।

টিউবারকুলিনাম, মেডোরিনাম, ক্যান্থারিস,  প্ল্যাটিনা , অরগেনাম,  মিউরেক্স,  এসিড ফ্লোর,এসিড পিক্রিক,সালফার, ষ্টেফিসেগ্রিয়া ইত্যাদি ঔষধের দুইচার মাত্রাই  অনেকটা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আনে । এইসকল ঔষধের বিস্তারিত প্রয়োগ বিধান পড়তে ক্লিক করুন

 মনে রাখবেন

যারা ভুলে হস্তমৈথুনের অভ্যাস করেছেন আজই ইহা ত্যাগ করুন। এইসকল ঔষধ কেউ নিজে নিজে কিনে খাবেন না ,এতে ক্ষতি হতে পারে । আর যারা ক্ষতিগ্রস্হ হয়েছেন শীঘ্র হস্তমৈথুন ত্যাগ করার পাশাপাশি একজন দক্ষ হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নিন। এটা দেহের চাইতে মনের উপর বেশি প্রাভাব ফেলে তাই দেহ অসার হয়ে যায় । কিছুদিন হস্থমৈথুন বাদ দিয়ে দেখেন আস্তে আস্তে স্বভাবিক হয়ে যাবেন ; বাড়তি ঔষধের প্রয়োজন খুব কমই পরে ।  ,

 

আমার লিখিত প্রথম পর্ব ও দ্বিতীয় পর্ব যারা পড়েন নি তারা পরে নিবেন প্রয়োজনে অনেক বার পড়বেন পড়তে পড়তে মানার মানিসিকতা এসে যাবে । দেখবেন একদিন অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে আসবেন ।  

1 thought on “তীব্র যৌন আকাঙ্ক্ষা ও হস্তমৈথুন এর অন্তরালে মায়াজমের ভূমিকা ও চিকিৎসা”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *