lifocyte.com

পর্ণগ্রাফি

পর্ণগ্রাফি দেখার ফলে কি কি মনোদৈহিক পরিবর্তন ঘটে [পর্ণাসক্তি]

পর্ণগ্রাফি 

প্রায় শতভাগ কিশোর যুবকের মোবাইল ল্যাপটপ পর্ণগ্রাফি  বা নগ্নছবিতে পূর্ণ ।  তাদের ফোনের লক খুলতে গেলে  দেখবেন তারা রাজি হবে না । ফোনের ডাউলনলোড হিস্ট্রি দেখুন কি এক ভয়াবহ অবস্থা । এজন্য তাদের লেখাপড়া ভালো লাগে না । অনেক ভালো ছাত্র আজ পাগল হিষ্টিরিয়া রগে আক্রান্তের অন্যতম কারণ কামুকতা , হস্থমৈথুন , অশ্লিলচিন্তা । এর এসবের যোগান দিচ্ছে  পর্ণগ্রাফি এ যেনো আগুনে ঘি ঢালা। সবার ইসলাহের উদ্যেশ্য বলছি, মনযোগ দিয়ে পড়বেন। ফেসবুক থেকে কালেকশন করা । আপনি নগ্ন বা সেক্সী ফিল্ম দেখছেন, তো আপনাকেই বলছি।

সূচীপত্র

  • মস্তিক্সের সম্মুখভাগে পর্ণগ্রাফির প্রভাব 
  • সুখানুভূতিতে  ডোপামিন
  • দাম্পত্য জীবন সেক্সী ফিল্ম এর প্রভাব
  • হস্থমৈথুন আসক্তি – ব্যভিচার বা সমকামি
  • পর্ণগ্রাফি স্মৃতিশক্তি লোপ করে
  • ধর্ষণের অন্তরালে  পর্ণগ্রাফি
  •  স্বামী-স্ত্রীর পরস্পরের নগ্নদেহ দর্শন
  • স্বামী-স্ত্রী  সম্পর্কে আল্লাহর বিধান

 মস্তিক্সের সম্মুখভগে পর্ণগ্রাফির প্রভাব 

গবেষক Gordon S. Bruin বলেন, ‘আমি ২০ বছর পর্ণগ্রাফি দর্শনের অভ্যাসীদের চিকিৎসা করতে গিয়ে লক্ষ্য করেছি, যৌন-মিলনের ফিল্ম দেখার অভ্যাস, মাদকদ্রব্য সেবনে অভ্যাসের মতো একটি মারাত্মক বযাধি। যৌন উত্তেজনামূলক নোংরা ফিল্ম দেখা মাদকদ্রব্য সেবনের ন্যায় এক প্রকার ঘৃণ্য ক্ষতিকর অভ্যাস। এর ফলে মস্তিস্কের সম্মুখভাগ (Frontal Loob) মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
ক্যাম্ব্রিজ বিষ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় বলা হয়েছে , পর্ণগ্রাফি দেখার ফলে দর্শকের মস্তিস্ক মাদকদ্রব্য সেবনকারীর মস্তিষ্কের মতো হয়ে যায়। মাদকদ্রব্য সেবনে্কারিরা যেমন মাদক না পেলে স্বস্তি পায় না, শান্তি আসে না, ঠিক তেমনই অবস্থা ঘটে pornography  দর্শনের  অভ্যাসীদের ।
বড় পরিতাপের বিষয় যে,  বিশ্বায়নের যুগে আজ  মোবাইলে মোবাইলে নোংরা ছবির ছড়াছড়ি। ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে  প্রায় ৩০০০০ মানুষ পর্ণগ্রাফি সাইটে প্রবেশ করছে এবং  পশুবৎ জঘন্য যৌনমিলন দর্শন করছে। বিভিন্ন জরিপে পাওয়া তথ্য মতে , এদের মধ্যে প্রায় এক তৃতীয়াংশ হল মহিলা।আমি একমত নই , এর কারণ হচ্ছে ছেলেরা অনেক জিমেলি ইউজ করে যা মেয়েদের নাম দিয়ে খোলা থাকে ।
মেডিকেল সাইন্স মতে , যৌন-উত্তেজনা সৃষ্টিকারী দৃশ্য দেখামাত্র সাথে সাথে dopamine, oxytocin o testosterone পদার্থ ক্ষরণ হতে থাকে । এসব নিঃসরণের কারণে দর্শনার্থীর মনমগজে  তুফান সৃষ্টি হয় , যা মস্তিষ্কক ও পড়াশোনার সর্বনাশ ঘটিয়ে ছাড়ে। তাতে ব্রেনের গুরুত্বপূর্ণ কোষ নষ্ট হতে পারে।
নোংরা যৌনমিলনের ভিডিও দেখার সময় dopamine পদার্থ প্রচুর পরিমাণে নিঃসরণ হতে থাকে ফলে মস্তিষ্কের Frontal Loob ক্রমশ দুর্বল হতে থাকে।মস্তিষ্কের  এই অংশ  সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য বড় গুরুত্বপূর্ণ  ভূমিকা রাখে ।জেনে রাখুন, মস্তিষ্কের এই অংশটি গাড়ির ব্রেকের মতো। একটু ভাবুন, আপনি যদি কোন ব্রেকহীন বা ব্রেক খারাপ হওয়া গাড়ি চালান, তাহলে যে কোন দুর্ঘটনা ঘটা স্বভাবিক কি না ? অতিরিক্ত পর্ণগ্রাফী দর্শনের ফলে দর্শ্নকারী নিজের ব্যক্তিত্ব হারিয়ে ফেলতে পারেন। যেহেতু উক্ত পদার্থ অধিক ক্ষরণের ফলে ব্যাক্তি  নিজের আচরণের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে।
সুখানুভূতিতে  ডোপামিন
মানুষের মানসিক সুখের জন্য অতীব জরুরী হরমোন  dopamine।  প্রচুর অর্থোপার্জন অথবা কোন বিশাল সফলতা আসার সাথে সাথে   উক্ত পদার্থ ক্ষরণ হতে থাকে এবং এর কারণে আমরা সুখ ও তৃপ্তি অনুভব করতে পারি । কিন্তু পর্ণগ্রাফী দেখতে অভ্যাসীদের  dopamine পদার্থ বেশি বেশি ক্ষরণ হওয়ার ফলে ধীরে ধীরে সেই  হরমোন  নিঃসরণকারী কোষগুলি দুর্বল হয়ে পড়ে।এবং  ক্রমে ক্রমে পদার্থ হ্রাস পেতে একসময় কোষগুলি নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। যার ফলশ্রুতিতে মানুষের সুখানুভূতি লয়প্রাপ্ত হয় ।এজন্য আগের মত  সে কোন বিষয়ে আর তেমন সুখানুভব করতে পারে না।ফলে সে এমন কিছু অনুসন্ধান করে, যা আরো বেশি উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে । ঠিক যেমনটি মাদকাসক্তদের বেলায় ঘটে থাকে। শুরু হয়ে যায় বিষন্নতা বা ডিপ্রেশন । পর্ণগ্রাফি আসক্তি  একটি নীরব আত্মঘতি নেশা ।এক সময় এমন এক পরিস্থিতিতে এনে দেয় , যখন মস্তিষ্কের বিশেষ কোষগুলি বিকল হয়ে যায়।
নগ্ন নারীদেহ ও যৌন-মিলন দর্শনের প্রতি আসক্তি মাদকাসক্তরা যতটা  মাদকদ্রব্যের প্রতি রাখে, তার থেকে অনেক  বেশি  । মাদকদ্রব্য গ্রহণে মাদকাসক্তদের যতটা ক্ষতি হয় ,  নগ্ন নারীদেহ ও যৌনমিলন দর্শনের মাধ্যমে উষ্ণ তৃপ্তি গ্রহণকারীদের তার থেকে বেশি ক্ষতি হয়  । কিন্তু নেশার ঘোরে অনুভূতিশক্তির ক্ষতিগ্রস্তরা সে ক্ষতির কথা অনুভব করতে পারে না।
দাম্পত্য জীবন সেক্সী ফিল্ম এর প্রভাব
oxytocin  নামক  পদার্থ  মানুষের মাঝে বিশ্বাস রক্ষার দায়িত্ব পালন করে থাকে।স্বামী-স্ত্রী, বন্ধু-স্বজনের  মাঝে যে বিশ্বস্ততা থাকে, তা উক্ত পদার্থ থেকে  সৃষ্টি হয়ে থাকে। পর্ণগ্রাফী নগ্নদৃশ্য আসক্তদের  উক্ত পদার্থ প্রচুর পরিমাণে ক্ষরিত হয়।ফলশ্রুতিতে তার মনে সৃষ্টি হয় কাল্পনিক যৌনক্ষুধা ও বিপরীত লিঙ্গের প্রতি প্রচন্ড আসক্তি  । oxytocin ক্ষরণের স্বাভাবিক সিস্টেম বিগড়ে যায়, বিগড়ে যায় আরো কিছু হরমোন ক্ষরণের  প্রকৃতি । এর অভাবে ভেঙ্গে যায় বিশ্বাস, ক্ষতিগ্রস্ত হয় তার দাম্পত্য জীবন। অনেক ক্ষেত্রে ভেঙ্গে পড়ে আবেগ ও সম্প্রীতির জীবন। বহু গবেষণা এই কথা এসেছে ,দাম্পত্য সমস্যা ও পারিবারিক বিবাদের অন্যতম কারণ  অশ্লীল ফিল্ম দর্শন বা পরণগ্রাফি । সাধারণতঃ স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বিশ্বাসঘাতকতার সন্দেহ জন্মে।
হস্থমৈথুন আসক্তি
পর্ণগ্রাফী বদৌলতে  যুব সমাজ হস্তমৈথুন বা অন্যান্য  বিরল মৈথুনে আসক্ত হয়ে পড়ে।একসময়  কাল্পনিক কোন যৌনময় জগতে  সে বসবাস শুরু করে ফলে তাঁর নিকট  যৌনতাই মুখ্য হয়ে ওঠে ।যা স্বামী-স্ত্রীর বৈবাহিক যৌনজগৎ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা । বিবাহ ও স্বামী-স্ত্রীর বন্ধন তার কাছে নিছক বিষয়ে পরিণত হয় । বিপরীত লিঙ্গ তার  নিকট  যৌনক্ষুধা নিবারণের মাধ্যম বৈ অন্য কিছু মনে হয় না। এজন্য   দাম্পত্য সুখের কথা তার মনে দাগকাটে না  তাই ববাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে চায় না । এক পর্যায়ে এরাই সমকামী হয়ে পরে কেননা এদের নিকট বংশবিস্তার বা সন্তান একটা  ঝামেলার কারণ হয়ে দ্বারায়। অতঃপর সামাজিকতার চাপে  বিবাহ করলেও সে তাতে অসফল ও অসুখী হয়।এই ব্যক্তি কাল্পনিক যৌনাচার অথবা ব্যভিচারের কারণে বাস্তব যৌনাচারের মাঝে সুখ অনুভব করতে পারে না। পর্ণগ্রাফি আসক্তি থেকে হস্থমৈথুন তা থেকে অতিরিক্ত ডোপামিন ক্ষরণ , oxytocin ক্ষরণ স্বামী-স্ত্রীর মাঝে  সন্দেহ অতঃপর  দম্পতির সংসারের শিশমহল ভেঙ্গে চূর্ণমার ।
 ব্যভিচার বা সমকামি
এ কথা সকলেই অবগত যে, পর্ণগ্রাফি দেখার ফলে দেহমন উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ফলে হস্তমৈথুন সহ নানা প্রকার বিরল যৌনাচারে লিপ্ত হয়। এতে পরিতৃপ্তি না পেলে এবং সহমতাবলম্বী সঙ্গী পেলে ব্যভিচার অথবা সমকামের মাধ্যমে মনের কামাগ্নি নির্বাপিত করে । এরা এমন এক পাশবিকতায় নিমগ্ন হয়ে পরে সে বহুগামিতা , উন্মুক্ত যৌনাচার ছাড়া থাকতে পারে না । নানা উপায়ে যৌনক্ষুধা নিবারণ করতে করতে  এসব  তাদের স্বাভাবিক চরিত্রে পরিণত হয়।একসময় এগুলোকে তারা  আর অপরাধ মনে করা না ।এরাই পর্ণগ্রাফি , নগ্নছবি দিয়ে সামাজিক সাইটগুলকে নোংড়া করে থাকে ।  
ধর্ষণের অন্তরালে  পর্ণগ্রাফি
Doctor  Victor B. Cline এর মতে , পর্ণগ্রাফি দর্শকের চরিত্র বিরল প্রকৃতির হয়ে ওঠে সুতরাং বলাৎকার, ইভটিজিং, শিশু অপহরণ ইত্যাদির মতো অপরাধ তার স্বাভাবিক আচরণ হয়ে যায়। অনেক দর্শকই বাস্তব সুখ ও তৃপ্তি অনুভব করতে গিয়ে ব্যভিচারী করতে কুন্ঠা বোধ করে না । অবশেষে অনেক সময় সহমতাবলম্বী সঙ্গী না পেলে ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ করতে উদ্বুদ্ধ হয়।
পর্ণগ্রাফি স্মৃতিশক্তি লোপ করে
গবেষণায় দেখা গেছে যে, অশ্লীল সেক্সী চিত্রাবলী দর্শন অভ্যাসে পরিণত হওয়ার ফলে মানুষের স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। স্কুল কলেজ পড়ুয়াদের পড়াশোনায় বিশাল ক্ষতি হয়।কামুকতায় বিভোর থাকায়  মন অশান্ত , বিক্ষিপ্ত ও উদাসীন হয় যায় । মানসিক সমস্যা যেমন হিস্টেরিয়া , পাগল , ডিপ্রেশন সহ  নানা  সমস্যা দেখা দেয়।
 নাবালক শিশুদের ভবিষ্যৎ ।
১৪ বছরের নিম্নে যে সকল শিশুদের বয়স তারা এই অশ্লীল চিত্রাবলী দর্শনের ফলে ভীষণভাবে প্রভাবান্বিত হয়। তাদের মস্তিষ্ক বিকৃত হতে থাকে। ফলে অপরাধ জগতের দিকে ঢলে পরে। তারা ভাবে ফ্রি সেক্সকে মন-মগজে গেথে ফেলে ফলে ধর্ম সামাজিকতা থেকে অনেক দূরে চলে যায় । যৌবনের প্রথম পদক্ষেপেই এ  সকল পর্ণগ্রাফি দেখা বিষয়  বাস্তবে চরিতার্থ করতে চায়। ফলে অয়াল বার্ধক্য , নানা প্রকার রোগে আক্রান্ত হয়ে নোংরা জীবনই তাদের আসল জীবন হয়ে দাঁড়ায়।
বিভিন্ন রোগের আক্রমন
সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে যে, পর্ণগ্রাফি দেখার ফলে মানুষের বিভিন্ন রোগ দেখা দিতে পারে। যেমন- হরমোন সমস্যা, মানসিক সমস্যা , হৃদরোগ, ব্লাডপ্রেসার, atherosclerosis ইত্যাদি।যেকোনো মুহুর্তে ,গনোরিয়া , সিফিলিস ও এইডস আক্রান্ত হওয়া অস্বাভাবিক নয় ।
 স্বামী-স্ত্রীর পরস্পরের নগ্নদেহ দর্শন
স্বামী-স্ত্রীর পরস্পরের নগ্নদেহ দর্শন তা উভয়ের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত ও পরম উপরাকী। গবেষণায় জানা গেছে যে, স্বামী-স্ত্রীর নগ্নদেহের বৈধ দর্শন ও যৌন-সংসর্গে  কোন ক্ষতির আশঙ্কা নেই ।  স্বামী-স্ত্রীর সহবাসের ফলে  উভয়ের মধ্যে immunity system মজবুত  হয় এবং মস্তিস্কের  সক্রিয়তা বৃদ্ধ পায়।স্বাভাবিক মিলনে  dopamine, endorphins-oxytocin, serotonin এবং অন্যান্য পদার্থ স্বাভাবিক পরিমানে ক্ষরণ হয় ।এজন্য মনোদৈহিক  প্রশান্তি আসে ও উভয়ের মধ্যে ভালোবাসা বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়। পক্ষান্তরে অবৈধ মিলন বা  ব্যভিচারের মাধ্যমে উপভোগ করলে উক্ত পদার্থগুলি বেশি পরিমাণে ক্ষরণ হতে থাকে।ফলত মস্তিষ্কের প্রভূত ক্ষতি সাধিত হয় এবং নানা মানসিক দ্বন্দ্বে ভোগে  ।
স্বামী-স্ত্রী  সম্পর্কে আল্লাহর বিধান
বিবাহবন্ধন মুক্ত জীবন পশুর সমান । মানবতার দাবী নির্দৃষ্টতা ,পরিচিতি ।
কে কার সন্তান , কে কোন বংশ তা নির্ধারন হয় পিতা মাতার পরিচিতি থাকে । বিবাহবন্ধন ছাড়া তা কখোনই সম্ভব হয় না ।
  •  তিনিই স্বামী-স্ত্রী উভয়কেই এক অন্যের পোশাক বানিয়েছেন।আল্লাহ তায়ালা  বলেন, “তারা তোমাদের পোশাক এবং তোমরা তাদের পোশাক”। [সূরা বাক্বারাহঃ ১৮৭]
  • বিবাহের বিধান দিয়ে আল্লহ তায়ালা আমাদের  মাঝে ভালোবাসা ও স্নেহময় সম্পর্কের বাঁধন সৃষ্টি করেছে যা অন্য কোনো প্রাণিতে নেই । তিনি বলেছেন, “তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে আর একটি নিদর্শন এই যে, তিনি তোমাদের জন্যে তোমাদের মধ্য হতেই তোমাদের সঙ্গিনীদেরকে সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা ওদের নিকট শান্তি পাও এবং তোমাদের মধে পারস্পরিক ভালোবাসা ও মায়া-মমতা সৃষ্টি করেছেন। চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য এতে অবশ্যই বহু নিদর্শন রয়েছে”। [সূরা রূমঃ ২১]
 
এটি একটি মানসিক ব্যাধি । এর থেকে মুক্তি পেতে ধর্মিও জীবন যাপন , সামাজিক কর্মকান্ডে সংযুক্তি , সাইকোথেরাপি এবং  প্রয়োজনে চিকিৎসা নিন ।

2 thoughts on “পর্ণগ্রাফি দেখার ফলে কি কি মনোদৈহিক পরিবর্তন ঘটে [পর্ণাসক্তি]”

  1. Md Shahil Khan

    স্যার! আপনার পোষ্ট গুলো অসাধারণ, সবসময় সত্য কথা তুলে ধরেন; জনগণের চাওয়া-পাওয়া নিখুঁতভাবে তুলে ধরার জন্য আপ্রান চেষ্টা করেন। আপনার পোষ্ট গুলো আমার এককথায় অসাধারণ লাগে, খুবই যুক্তি সঙ্গতিপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেন। অসংখ্য ধন্যবাদ ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *