lifocyte.com

প্রবল হস্থমৈথুন

প্রবল হস্থমৈথুন জনিত সৃষ্টি রোগের লক্ষণভিত্তিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

রোগের চিকিৎসায়

প্রবল হস্থমৈথুন করার ফলে রোগ সৃষ্টি হলে নিম্নোক্ত ঔষধ গুলো লক্ষণভিত্তিক দেয়া যেতে পারে ।

 

অরাম মেট:অতিরিক্ত হস্ত-মৈথুনের কুফলে স্বপ্নদোষ, অনৈচ্ছিক রেতঃপাত, ধাতুদৌর্বল্য ও ধ্বজভঙ্গ এইরুপ নানা দুর্বলতা,জীবনের প্রতি ঘৃণা অত্ম হত্যার ইচ্ছা অর্থাৎ আরাম মেটের সকল লক্ষণ যখন এসে যায় তখন অরাম মেট প্রয়োগ জরুরী।।

 

ক্যালাডিয়াম সেগা: অতিরিক্ত হস্ত-মৈথুনের ফলে লিঙ্গ শিথিল হইয়া পড়ে । লিঙ্গ-মুণ্ডের চর্মের ঈষৎ উম্মুক্ত করিলেও তাহা তৎস্থানেই অবস্থান করে, স্বয়ং সঙ্কুচিত হয় না । রাত্রিকালে স্বপ্নে অথবা বিনা স্বপ্নে কামোত্তেজনা ব্যাতিরেকে রেতঃস্খলন । বালিকাদিগের যোনিমধ্যে ক্রিমি প্রবিষ্ট হইয়া তাহাদের উত্তেজনায় হস্ত-মৈথুনের চিকিৎসায় ইহা শ্রেষ্ঠ ঔষধ

 

ক্যালকেরিয়া কার্ব : সাধারণতঃ নাক্স ভমিকা ও সালফারের পরে ব্যবহৃত হয় । অত্যধিক সঙ্গম অহেতুক ইচ্ছা, সঙ্গমকালে লিঙ্গ সম্পূর্ণ দৃঢ় হয় না, উপযুক্ত সময়ের পূর্বে অথবা অসম্পূর্ণ রেতঃস্খলন হয় । সঙ্গমের পর ঘর্মস্রাব ; সঙ্গমের পর দৈহিক ও মানসিক দুর্বলতা দেখা দিলে ক্যালকেরিয়া কার্ব প্রয়োজন হয়।।

 

সিঙ্কোনা বা চায়না :অত্যধিক রেতঃক্ষয়বশতঃ দুর্বলতা হজম শক্তির অভাব,অত্যন্ত দুর্বল এই সকল লক্ষণ সমষ্টি যে রোগীর মাঝে দেখা দেয় তার পরম বন্ধু চায়না।

 

ফস্ফরিক অ্যাসিড:অত্যধিক ইন্দ্রিয়পরায়ণতার দূরবর্তী কুফলে ইহা ( তরুণ অবস্থায় – সিঙ্কোনা ) বিশেষ উপযোগী । সম্পূর্ণ দেহ দুর্বল বোধ হয় ; রোগী শিরোঘূর্ণনবশতঃ মনে করে সে পড়িয়া যাইবে, শয়ন করিয়া থাকিলে সে মনে করে যে তাহার পদদ্বয় ঊর্ধ্বে উঠিতেছে । তাহার জননেন্দ্রিয়সমূহ শিথিল হইয়া ঝুলিয়া পড়ে । সঙ্গম কালে অতিসত্বর বীর্যপাত । প্রস্রাব অথবা মলত্যাগ প্রচেষ্টায় রেতঃস্খলন হয় । লিঙ্গ আদৌ উত্থিত হয় না বা অসম্পূর্ণ ভাবে উত্থিত হয় । রোগী তাহার অণ্ডকোষের উপর পিপীলিকা সঞ্চালনানুভুতি অনুভব করে । পদদ্বয় ও পৃষ্ঠদেশ অতিশয় দুর্বল, চলিতে গেলে থর থর করিয়া কম্পিত হয় ।

 

ক্যালি ব্রোমেটাম : হস্ত-মৈথুনের পর মানসিক অবসাদ এবং পদদ্বয়ের দুর্বলতা । হস্ত-মৈথুনের ফলে মুখ-ব্রণ ।

 

লাইকোপোডিয়াম :

হস্ত-মৈথুনের ফলে সম্পূর্ণ ধ্বজভঙ্গ । লিঙ্গ উত্থান আদৌ হয় না বা আংশিক হয় । লিঙ্গ শীতল ও ছোট ।স্ত্রী সহবাসে অক্ষম।সেই রোগীর পেটফাপাসহ লাইকোপোডিয়ামের লক্ষণ সমষ্টি দেখা দিলে অত্যন্ত কার্য়করী।

নাক্স ভমিকা : ইহা হস্ত-মৈথুনের কুফলের প্রথম অবস্থায় শ্রেষ্ঠ ঔষধ । রোগীর শিরঃপীড়া, রাত্রিকালে – বিশেষতঃ সকালের দিকে প্রায়ই অনৈচ্ছিক রেতঃক্ষয় । ইহাতে উন্নতি ক্ষান্ত হইলে প্রায়শঃ সালফার নির্দিষ্ট হইবে এবং তৎপরে ক্যাল্কেরিয়া কার্ব ও লাইকোপোডিয়াম ।

 

কোবালটাম:

কটি দেশে পৃষ্ঠ বেদনা উপবেশন কালে বৃদ্ধি পদদ্বয়ের দুর্বলতা ইত্যাদি লক্ষণ সমষ্টি যে রোগীর মাঝে পাওয়া যাবে তার জন্য কোবাল্টাম উপযোগী।

 

ডায়োস্কোরিয়া :

লিঙ্গ এরূপ শিথিল হইয়া পড়ে যে, এক রাত্রেই ২/৩ বার স্বপ্নদোষ হয় এবং তৎপর দিন রোগী দুর্বলতা অনুভব করে, বিশেষতঃ জানুদ্বয় বিশেষ দুর্বল হইয়া পড়ে সেই রোগীর জন্য এই ঔষধটি অতিজরুরী।

 

সালফার :

ইহা প্রায়শই নাক্স ভমিকার অনুপূরক । ইহার রোগী দুর্বল ও ক্ষীণ এবং তৎসহ পাকাশয়িক লক্ষণাদি দেখা দেয়।রোগীর মূর্ছার ভাব, উত্তাপের ঝলক,হাত পা ঠান্ডা এবং মাথায় উত্তাপ বোধ । বীর্য ক্ষীণ ও জলবৎ এবং গন্ধশূন্য প্রায়ই রাত্রিকালে অনৈচ্ছিক রেতঃস্খলন এবং তাহার ফলে রোগী প্রাতঃকালে অবসন্ন হইয়া পড়ে । লিঙ্গাদি শিথিল, কচিৎ উত্থিত হয় । লিঙ্গ-মুণ্ড শীতল । সঙ্গমের চেষ্টা করিলে অতি শীঘ্র, পায়ই স্পর্শ মাত্র, রেতঃস্খলিত হয় ।

 

জিঙ্কাম মেট :  জননেন্দ্রিয় মধ্যে স্থানীয় উত্তেজনা , বীর্যস্খলনে নিবৃতি ইত্যাদি লক্ষন বিবেচনায় জিঙ্কাম মেট উপযোগী।

 

সতর্কতা

হস্তমৈথুন  নারী- পুরুষের একটি জঘন্যতম কু-অভ্যাস। এ অভ্যাসটি ত্যাগ করা জরুরী। এর কুফলে নপুংশক হয়ে যেতে পারেন নিঃসন্তান হয়ে যাওয়াটা অস্বাভাবিক নয় । পুষ্টিকর আহার ও সুচিকিৎসা নিলে এ রোগ মুক্তিতে হতাশার কোন করন নেই। সহজেই আরোগ্য হয়। মনে  রাখবেন রাস্তার পাশে চটকদার কোন পোষ্টার দেখে ভন্ড প্রতারকদের হাতে পরে হাজার হাজার রোগী ক্ষতিগ্রস্হ হয়। ভুলেও এ দের হাতে রোগ চিকিৎসার জন্য যাবেন না।

 

যারা ভুলে হস্তমৈথুনের অভ্যাস করেছেন আজই ইহা ত্যাগ করুন। এইসকল ঔষধ কেউ নিজে নিজে কিনে খাবেন না ,এতে ক্ষতি হতে পারে । আর যারা ক্ষতিগ্রস্হ হয়েছেন শীঘ্র হস্তমৈথুন ত্যাগ করার পাশাপাশি একজন দক্ষ হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নিন। এটা দেহের চাইতে মনের উপর বেশি প্রাভাব ফেলে তাই দেহ অসার হয়ে যায় । কিছুদিন হস্থমৈথুন বাদ দিয়ে দেখেন আস্তে আস্তে স্বভাবিক হয়ে যাবেন ; বাড়তি ঔষধের প্রয়োজন খুব কমই পরে ।  ,

 

আমার লিখিত প্রথম পর্ব ও দ্বিতীয় পর্ব যারা পড়েন নি তারা পড়ে নিবেন।  প্রয়োজনে অনেক বার পড়বেন পড়তে পড়তে মানার মানিসিকতা এসে যাবে । দেখবেন একদিন অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে আসবেন ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *