lifocyte.com

COVID-19

COVID-19 চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি হতে পারে এন্টভাইরাল চিকিৎসার অগ্রদূত

COVID-19 ও হোমিওপ্যাথি

যার নাই কোনো গতি সেই খায় হোমিওপ্যাথি।কথাটা মিথ্যাও না। যখন সামর্থ্য (অর্থনৈতিক বা চিকিৎসা) শেষ হয়ে যায় তখন একবার চেষ্টা করে, যদি লাইগা যায়। সময় থাকতে খুব আল্প সংখ্যক মানুষই হোমিওর দ্বারে যায়। আজ সারাবিশ্বে হোমিও প্যাথির চিকিৎসা অনাদৃত অবস্থায় গৃহীত।

এই চিকিৎসা পদ্ধতিটা অনেকের নিকট তাচ্ছিল্যের বস্তু কিন্তু অনেকেই এর নিকট কৃতজ্ঞ।এর চিকিৎসা পদ্ধতি হচ্ছে লক্ষণ ভিত্তিক সেটা রোগ যাই হোক না লক্ষণ মিললে এক ডোজেই অনেক মারাত্মক রোগী আরোগ্য লাভকরে।COVID-19এর চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথিকে অবজ্ঞাকরা নিতান্তই বোকামি হচ্ছে ।

হোমিও চিকিৎসার পরিচয়

হোমিও প্যাথির জনক মহাত্মা স্যামুয়েল হ্যানিম্যান একজন ততকালিন সময়ে মেডিসিনে ডক্টরেট (MD) ধারী ছিলেন। জ্ঞানীরা বোঝার চেষ্টা করে মূর্খের যত তর্ক। টিউমার, আচিল অপারেশন না করেই শুধু ঔষধ সেবনে নিরাময় সম্ভব একমাত্র হোমিও প্যাথিতে।অনেকেই বলে এইরকম দু চার টা রোগেই বাহাদুরি দেখা যায় জটিল রোগে হোমিওর কোনো ক্রিয়া নেই। আসলে এই অভিযোগ গুলো তাদের নিকট থেকেই পাওয়া যায় যারা কিনা কখনই হোমিও চিকিৎসা নেয় না বা পদ্ধতিটা জানেই না।

নেটে সার্স দেন হোমিওপ্যাথির আবিস্কাররক দের ডিগ্রী, শিক্ষা জীবনী দেখনু ( হ্যানিম্যান, কেন্ট,রোরিক,……..).আপনার এতো গা জ্বলে কেনো? কি বুঝলেন?

না জেনে না বুঝে মূর্খের মত মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকুন। যারা কিছু দিতে জানে না তারা অন্যকেও নিজের মতই অজ্ঞভাবে বিধেই নতুনত্বকে মেনে নিতে পারে না।

হোমিও চিকিৎসা সেকেলে নয়

হোমিও প্যাথি কোনো টোটকা চিকিৎসা নয় আর নয় কোনো সিনাতন পদ্ধতি। এর জন্ম ১৮৯৭ সালে মাত্র ২০০ বছর আগে। এলোপ্যাথির জনক হেপোক্রিটাস(খ্রিষ্ট পূর্বে)২০০০ বছর আগের পদ্ধতি। হ্যানিম্যান প্রথম দেখেন কুইনাই ব্যবহারে ম্যালেরিয়া আরোগ্য হয় কিন্তু রোগী পরে প্লিহারোগে ভোগে এছাড়াও অন্যান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়। তখন তিনি কুইনাইকে অন্য এক পদ্ধতিতে প্রয়োগ করেন ফলে রোগ আরোগ্য হয় এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় না। আর সেই প্রয়োগ পদ্ধতিটা হচ্ছে সূক্ষ্মমাত্রা প্রয়োগ পদ্ধতি। তিনি একজন বিজ্ঞ চিকিৎসক ছিলেন, ছিলেন একজন আবিস্কাররক।

 

ভাইরাসের(COVID-19) চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি

ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের কোনো সুনির্দৃষ্ট ঔষধ না থাকায় লক্ষণ ভিত্তিক চিকিৎসা দিতে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

এন্টিবায়োটিক দিয়ে ভাইরাসের চিকিতসা হয় না এন্টিবায়োটিক শুধুমাত্র ব্যক্টেরিয়া ঘটিত রোগে কার্যকর ভাইরাসে নয়।

তাহলে বলা যায় চিকিৎসক গন লক্ষণ দৃষ্টে ঔষধ নির্বাচন করা শুরু কিরেছে যা ১৯০০ সালে হ্যানিম্যান লিখে গেছেন।

হোমিও মতে ভাইরাস না ব্যক্টেরিয়া তা দেখা হয় না দেখা হয় রোগীর লক্ষণ কিরুপ।

আর লক্ষণ দেখেই নির্বাচন করা হয় কোন ঔষধ দিতে হবে।

আমি আশাবাদি হোমিও মেডিসিন পারবে ভাইরাস মোকাবেলা করতে।

COVID-19 , SARS,Ebola, MERS,corona,HIV ইত্যাদি ভাইরাসের মোকাবেলায় হোমিও চিকিৎসাকে গবেষণায় নেয়া হোক ।

ভ্যাক্সিন কোনো সমাধান নয় কেননা সেগুলোর অনেক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

আসছে ম্যাডকাউ,প্রিয়নের মত ঘাতক ব্যধি যা থেকে পরিত্রাণ প্রশ্নবোধক।

মানবতা মুক্তি পাক রোগ (তা গজব বা পরীক্ষা যাই বলেন) থেকে।

মনোদৈহিক সুস্থ্যতা নিয় মানুষ স্রষ্টার আরাধনা করতে পারে সে জন্যই প্রতিষ্ঠিত হোক চিকিৎসা।

আর বিশ্ব বিবেকের বিবেচনায় আসুক হোমিওপ্যাথিক বিজ্ঞান চিকিৎসা।

1 thought on “COVID-19 চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি হতে পারে এন্টভাইরাল চিকিৎসার অগ্রদূত”

  1. Pingback: AntiVaccine With AntiMiasmsic Medicines Can remove COVID-19 – lifocyte.com

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *